প্রেস বিজ্ঞপ্তি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ভোলা জেলার বোরহান উদ্দিন থানা এলাকায় উপজেলা ঈদগাহ মাঠে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে পুলিশসহ সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশ সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ঘটনা সংক্রান্তে যে কোনো প্রকার বিভ্রান্তি এড়াতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রকৃত ঘটনাটি জনসমক্ষে তুলে ধরা প্রয়োজন মনে করছে। গত ১৮ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিঃ 'Biplob Chandra Shuvo’ নামে নিজ ফেইসবুক আইডি হ্যাক হওয়ার প্রেক্ষিতে বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য (২৫) নামে এক যুবক রাত ৮.০৫ টায় ভোলা জেলার বোরহান উদ্দিন থানায় জিডি করেন। জিডি নং-৪৪০, তারিখ-১৮ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিঃ। জিডি করার সময় থানায় অবস্থানকালেই বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য’র নম্বরে একটি কল আসে এবং তার কাছে চাঁদা দাবী করা হয়। বিষয়টি তাৎক্ষনিকভাবে সে ওসিকে জানায়। ওসি বিষয়টি ভোলা জেলার পুলিশ সুপারকে জানায়। প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে সেদিন রাতের মধ্যেই বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য’র ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাককারী ও তার মোবাইলে কলকারী শরীফ এবং ইমন নামে দুই মুসলিম যুবককে যথাক্রমে পটুয়াখালী এবং বোরহানউদ্দিন থেকে আটক করে পুলিশ। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে বোরহান উদ্দিন থানায় আনা হয়। ইতোমধ্যে শুভ’র ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে কথিত কমেন্টের জেরে এলাকার ধর্মপ্রান মুসলমান উত্তেজিত হতে থাকেন। ফেইসবুকে ধর্মীয় মন্তব্যের অভিযোগে মন্তব্যকারীর ফাঁসি দাবী করেন স্থানীয় আলেম সমাজ। পরদিন ২০ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিঃ সকাল ১১ টায় ঈদগাহ মাঠ ময়দানে তারা প্রতিবাদ সভার ঘোষনা দেন। জেলা প্রশাসক, ইউএনও, থানার অফিসার ইনচার্জ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ আলেম সমাজের প্রতিনিধিগণের উপস্থিতিতে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে ১৯ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিঃ সন্ধ্যায় বোরহান উদ্দিন থানায় দীর্ঘ সময় বিষয়টি আলোচনা হয়। আলেম সমাজের অভিযোগের ভিত্তিতে বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য’কে আটক দেখানো হয়। এ বিষয়ে উপযুক্ত আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের নিশ্চয়তা পেয়ে প্রতিনিধিত্বকারী আলেম সমাজ তাদের পূর্বঘোষিত প্রতিবাদ কর্মসূচী বাতিল ঘোষনা করেন। সমাবেশ বাতিলের ঘোষনা সত্তেও পুলিশ সার্বক্ষনিক সতর্ক থাকে। পরদিন সকাল থেকেই কিছু লোক ঈদগাহ ময়দানে সমবেত হতে থাকে। ময়দানের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানোর জন্য ১৭ টি মাইক আনে একটি মহল। যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সমবেত লোকজনকে সরিয়ে নিতে বললে উপস্থিত আলেমগন নিশ্চিত করেন, লোকজন কোনো রকম বিশৃঙ্খলা করবে না। ইতোমধ্যেই, এই পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় এবং যে কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে স্থানীয় পুলিশকে সহায়তা দিতে সকালেই বরিশাল থেকে রেঞ্জ পুলিশের অতিঃ ডিআইজি ভোলায় আসেন। অতিঃ ডিআইজি ও ইউএনও’কে নিয়ে পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত জনগনের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা করে প্রয়োজনীয় সকল আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিষয়ে তাদেরকে বার বার আশ্বস্ত করেন। তাদের কথায় আশ্বস্ত হয়ে সমবেত লোকজন ঈদগাহ্ ময়দান ত্যাগ করেন। উপস্থিত জনগনের উদ্দেশ্যে বক্তব্য শেষে পুলিশ সুপার ও অতিঃ ডিআইজিসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ মাদ্রাসার একটি কক্ষে অবস্থান নেন। এরই মধ্যে, অন্য একটি গ্রæপ ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে উত্তেজিত করতে থাকেন। তারপর, সহসাই একদল লোক বিনা উস্কানিতে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে অবস্থানরত কর্মকর্তাদের উপর আক্রমন করে। আক্রমনকারীদের একদল আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুলিশ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উপর আক্রমন চালায়। আক্রমনকারীদের গুলিতে পুলিশের একজন মারাত্মক জখম হয়। মারাত্বক আহত হন পুলিশের আরেক সদস্য। বরিশাল রেঞ্জের অতিঃ ডিআইজিও আহত হন। এই পরিস্থিতিতে, ইউএনও ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এর নির্দেশে আত্মরক্ষার্থে ও সরকারী জানমাল রক্ষার্থে ও উত্তেজিত লোকজনকে নিবৃত্ত করতে প্রথমে টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে ও পরে শটগান চালায় পুলিশ। পরবর্তীতে, পরিস্থিতির ভয়াবহতায় ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে এক পর্যায়ে পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। আক্রমনকারীদের গুলিতে মারাত্মক আহত পুলিশ সদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহত ০৪ (চার) জনের মধ্যে অন্তত দুই জনের মাথা ভোতা অস্ত্র দ্বারা থ্যাতলানো বলে নিশ্চিত করেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে ডিআইজি বরিশাল রেঞ্জকে প্রধান করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, এসবি, পিবিআই এবং জেলা পুলিশ হতে একজন করে মোট চারজন কর্মকর্তা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিকে সাত কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। অতএব, সার্বিক ঘটনা পর্যালোচনায় এটি স্পষ্ট যে, পুলিশ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে শুরু থেকে তৎপর থাকা সত্তেও এবং আলেম সমাজ পুলিশ কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থার প্রতি আস্থা রেখে কর্মসূচী স্থগিত করলেও, কোনো একটি স্বার্থান্বেসী মহল ধর্মকে পুঁজি করে একটি সামাজিক অস্থিরতা তৈরীর অপপ্রয়াস চালিয়েছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। ঘটনাস্থলসহ সারাদেশে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট না করতে এবং কোন অবস্থাতেই ধর্মীয় উপাসনালয়ে আক্রমন না করতে সাধারণ জনগনকে অনুরোধ জানাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। পাশাপাশি, গুজবে কান না দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পুলিশকে সহায়তা করার জন্য সকলের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ।

Download
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সম্মানিত জনসাধারণের সচেতনতার জন্য সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর উল্লেখযোগ্য নির্দেশনা সমূহঃ মোটরযান মালিক, মোটরযান শ্রমিক, পথচারীসহ সকল অংশীজনকে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর একাদশ অধ্যায়ে বর্ণিত অপরাধ, বিচার ও দণ্ডের বিষয়গুলো জেনে তা মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

Download
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সম্মানিত জনসাধারণের সচেতনতার জন্য সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর উল্লেখযোগ্য নির্দেশনা সমূহঃ মোটরযান মালিক, মোটরযান শ্রমিক, পথচারীসহ সকল অংশীজনকে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর একাদশ অধ্যায়ে বর্ণিত অপরাধ, বিচার ও দণ্ডের বিষয়গুলো জেনে তা মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

Download
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Bangladesh Police · 20 hrs · প্রেস নোট ১৯ নভেম্বর ২০১৯ লবনের মূল্য বৃদ্ধির সংবাদটি গুজব লবনের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এমন একটি গুজব ছড়িয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যেই বানিজ্য মন্ত্রনালয় এবং তথ্য মন্ত্রনালয় নিশ্চিত করেছে যে, দেশে ছয় লক্ষ টন লবন মজুদ রয়েছে যা আমাদের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। তাই, লবনের মূল্য বৃদ্ধির কোনোই সম্ভাবনা নেই। তাই, দেশের সম্মানিত জনসাধারণকে গুজবে কান না দিতে ও বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ করা হচ্ছে। পাশাপাশি, দেশের কোথাও লবনের অতিরিক্ত দাম চাওয়া হলে তাৎক্ষনিকভাবে জাতীয় জরুরী নম্বর ৯৯৯ এ ফোন করে অথবা নিকটস্থ পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করা হলো। PHQ MEDIA,19 NOVEMBER 2019

Download
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

#নিজে_সচেতন_হই_অন্যকে_সচেতন_করি_নিরাপদ_জীবন_গড়ি পুলিশ, এম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের তাৎক্ষণিক সেবা প্রয়োজন এমন যে কোন জরুরী পরিস্থিতিতে (দুর্ঘটনা, বিপদ বা মারাত্মক অপরাধ) ৯৯৯ নম্বরে কল করুন ৯৯৯ নম্বরে কল করলে কোন কল চার্জ কাটা হয় না মোবাইলে টাকা না থাকলেও ৯৯৯ নম্বরে কল করা যায় আসুন, আমরা আমাদের নিজেদের এবং আমাদের চারপাশের প্রিয় মানুষগুলোর দৈনন্দিন জীবন চলাকে আরো নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে আমরা নিজেরা এই ধারাবাহিক পোস্টসমুহ ফলো করার পাশাপাশি আমাদের প্রিয়জনদেরকে এই পোস্টগুলো শেয়ার করি। #প্রচারেঃ #রংপুর_জেলা_পুলিশ

Download
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ পুলিশের নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি থার্টি ফার্স্ট নাইটে জনসাধারনের নির্বিঘ্ন চলাফেরা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাড়তি পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি টহল ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। যেকোনো সময়/পরিস্থিতিতে পুলিশ, এম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের তাৎক্ষণিক জরুরী সেবা পেতে ৯৯৯ নম্বরে কল করুন। ৯৯৯ নম্বরে কল করলে কোন কল চার্জ কাটা হয় না, মোবাইলে টাকা না থাকলেও ৯৯৯ নম্বরে কল করা যায়। নিজে সচেতন হই অন্যকে সচেতন করি নিরাপদ জীবন গড়ি পোষ্টটি শেয়ার করে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন।

Download
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

রংপুর সদরের মমিনপুর এলাকা থেকে তিস্তা ক্যানেলের পানিত বস্তাবন্দি অবস্থায় রুবাইয়া ইসলাম রুবি নামে তরুণীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম মোঃ আরিফু্ল ইসলাম। সে তারাগঞ্জ উপজেলার উজিয়াল হাড়িয়ালকুটি এলাকার মৃত আপিল উদ্দীনের ছেলে। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রংপুরের পুলিশ সুপার জনাব বিপ্লব কুমার সরকার, পিপিএম (বার) বিপিএম, পুলিশ সুপার, রংপুর। সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ভিকটিমকে আসামীর আত্নীয় বাড়িতে নিয়ে আসে। এ সময় উভয়ের মধ্যে প্রেম ঘটিত বিষয়ে ঝগড়ার এক পর্যায়ে রুবাইয়া ইসলাম রুবিকে গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যা করে এবং ২/৩ জনের সহযোগিতায় লাশ বস্তায় ভরে মমিনপুর এলাকার মিলের পাড় তিস্তা ক্যানেলে ফেলে দেয়। প্রেস ব্রীফিং এ অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জনাব মোঃ আবু মারুফ হোসেন, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে কর্মরত (প্রশাসন ও অপরাধ) রংপুর, এবং জনাব মোঃ ফজলে এলাহী, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে কর্মরত (জেলা বিশেষ শাখা) রংপুর, জনাব আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এ-সার্কেল, রংপুর। জেলা বিশেষ শাখার ডি আই ও (১) এ কে এম শরিফুল আলম, এবিএম সাজেদুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ কোতোয়ালি থানা রংপুর এবং পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত জাকির হোসেন কোতোয়ালি থানা রংপুর উপস্থিত ছিলেন।

Download
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সাধারণ জিজ্ঞাসিত প্রশ্নসমূহ BANGLADESH POLICE MEDIA, PHQ [13 JUL 2020] ১। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কি? উত্তর ঃ সাধারণত চাকুরি বা উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশ গমণের ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। এই সার্টিফিকেটে সার্টিফিকেট প্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় কোনো ফৌজদারী অপরাধের রেকর্ড নেই - এই মর্মে প্রত্যয়ন করা হয়। ২। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে কোথায় এবং কিভাবে আবেদন করতে হয়? উত্তর ঃ অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য যঃঃঢ়://ঢ়পপ.ঢ়ড়ষরপব.মড়া.নফ এ আবেদন করা যায়। সরাসরি আবেদন করতে সংশ্লিষ্ট জেলার ডিএসবি অফিস (পুলিশ সুপারের কার্যালয়) থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করে আবেদন করতে পারবেন। ৩। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন পত্রে কোন ঠিকানা (স্থায়ী/অস্থায়ী) দিতে হয়? উত্তর ঃ স্থায়ী এবং অস্থায়ী উভয় ঠিকানাই দিতে হয়। ৪। কোন প্রার্থীর বর্তমান (অস্থায়ী) ঠিকানা যদি পাসপোর্টে প্রদত্ত ঠিকানা থেকে ভিন্ন হয় সে ক্ষেত্রে করণীয় কি? উত্তর ঃ এ ক্ষেত্রে বর্তমান ঠিকানার ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর নিকট হতে একটি প্রত্যয়ন পত্র আবেদন পত্রের সাথে দাখিল করতে হবে। ৫। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন পত্রের সাথে কি কি ডকুমেন্ট জমা দিতে হয়? উত্তর ঃ ক) ১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত ফটোকপি, খ) বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংকের ৫০০/- টাকা ট্রেজারি চালানের ফটোকপি বা অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে ই-চালানের ফটোকপি এবং গ) প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর নিকট হতে একটি প্রত্যয়ন পত্রের সত্যায়িত ফটোকপিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডুমেন্টের সত্যায়িত ফটোকপি। ৬। এক জনের পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য কি অন্য কেউ আবেদন করতে পারবেন? উত্তর ঃ যে কেউ নিজের নামে বা অন্য কারো নামে আবেদন করতে পারবেন। ৭। কেউ দেশের বাইরে থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করতে চাইলে তিনি কিভাবে আবেদন করতে পারবেন? উত্তর ঃ প্রবাসী বাংলাদেশীরা সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক এবং বিদেশী নাগরিকরা নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপির স্ক্যানড্কপি, এবং অনলাইনে ই-চালানের স্ক্যনড্কপিসহ অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ৮। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে কত টাকা লাগে এবং কিভাবে সে টাকা দিতে হয়? উত্তর ঃ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে ৫০০ টাকা লাগে। বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংকের যে কোনো শাখা হতে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১ কোডে) ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে বা অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের অনুকূলে উক্ত ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়। ৯। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর তদন্তের সময় প্রার্থীকে কি থানায় যেতে হয়, নাকি তদন্তকারী পুলিশ অফিসার প্রার্থীর ঠিকানায় তদন্ত করতে যাবেন? উত্তর ঃ প্রার্থীকে থানায় যেতে হয় না; তদন্তকারী পুলিশ অফিসার প্রার্থীর ঠিকানায় তদন্ত করতে যাবেন। ১০। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর তদন্তের সময় তদন্তকারী পুলিশ অফিসারকে কি প্রার্থীর কোন ডকুমেন্ট (কি কি) দিতে হয়? উত্তর ঃ ক) পাসপোর্টের তথ্য পাতার ফটোকপি, খ) ট্রেজারি চালানের বা অনলাইন পেমেন্টের ফটোকপি এবং গ) প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর নিকট হতে প্রাপ্ত প্রত্যয়ন পত্রের ফটোকপি ও অন্যান্য ডকুমেন্ট। বিঃ দ্রঃ তদন্তকারী পুলিশ অফিসার চাইলে এ সকল ডকুমেন্টের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। ১১। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে সর্বোচ্চ কতদিন সময় লাগে? উত্তর ঃ আবেদন সাবমিট করার পর ঢাকার মধ্যে ৭ কর্মদিবস আর ঢাকার বাইরে হলে ১০ কর্মদিবস এর বেশি নয়। ১২। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কোথা থেকে সংগ্রহ করতে হয়? উত্তর ঃ মেট্রোপলিটন এলাকায় সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন হেডকোয়ার্টার্স এর ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার হতে এবং জেলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলার ডিএসবি অফিস (পুলিশ সুপারের কার্যালয়) থেকে। ১৩। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে প্রার্থীকে যদি কোন প্রকার হয়রানির শিকার হতে হয় সে ক্ষেত্রে প্রার্থী কোথায় অভিযোগ করতে পারবেন? উত্তর ঃ মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন এর উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) বরাবর এবং জেলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ জানাতে পারবেন । বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন ঃ http://pcc.police.gov.bd নিজে সচেতন হই অন্যকে সচেতন করি নিরাপদ জীবন গড়ি

Download